শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

সত্যানুসরণ



তুমি ' না তুমি ভীরূ, ' না তুমি কাপুরূষ, ' না তুমি দুরাশয় পিতার দিকে নজর কর, আবেগভরে বল- ওগো, আমি তোমার সন্তান ; আমার আর জড়তা নেই, আর দুর্ব্বলতা নেই, আমি আর কাপুরূষ নই, আমি আর তোমাকে ভুলে নরকের দিকে ছুটে যাব না, আর তোমার জ্যোতির দিকে পিছন ফিরে 'অন্ধকার' 'অন্ধকার' 'লে চীৎকার 'রব না



অনুতাপ কর ; কিন্তু স্বরণ রেখো যেন পুনরায় অনুতপ্ত হতে না হয়
যখনই তোমার কুকর্ম্মের জন্য তীমি অনুতপ্ত হবে, তখনই পরমপিতা তোমাকে ক্ষমা করবেন, আর ক্ষমা হলেই বুঝতে পারবে , তোমার হৃদয়ে পবিত্র সান্তনা আসছে, আর তা'হলেই তুমি বিনীত, শান্ত আনন্দিত হবে
যে অনুতপ্ত 'য়েও পুনরায় সেই প্রকার দুষ্কর্ম্মে রত হয়, বুঝতে হবে সে সত্বরই অত্যন্ত দুর্গতিতে পতিত হবে
শুধু মুখে-মুখে অনুতাপ অনুতাপই নয়, আরও অন্তরে অনুতাপ আসার অন্তরায় প্রকৃত অনুতাপ এলে তা' সমস্ত লক্ষণই অল্পবিস্তর প্রকাশ পায়



জগতে মানুষ যত-কিছু দুঃখ পায় তা' অধিকাংশই কামিনী-কাঞ্চনে আসক্তি থেকে আসে, দুটো থেকে যত দুরে 'রে থাকা যায় ততই মঙ্গল
ভগবান শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেব সবাইকে বিশেষ 'রে বলেছেন, কামিনী-কাঞ্চন থেকে তফাৎ থাক
কামিনী থেকে কাম বাদ দিলেই ইনি মা হয়ে পড়েন বিষ অমৃত 'য়ে গেল আর মা মা-, কামিনী নয়কো
'
মা' শেষে 'গী' দিয়ে ভাবলেই সর্ব্বনাশ সাবধান! মাকে মাগী ভেবে ' না
প্রত্যেকের মা- জগজ্জননী প্রত্যেক মেয়েই নিজের মায়ের বিভিন্ন রূপ, এমনতর ভাবতে হয়
মাতৃভাব হৃদয়ে প্রতিষ্ঠিত না 'লে স্ত্রীলোককে ছুঁতে নেই_ যত দূরে থাকা যায় ততই ভাল; এমন-কি মুখদর্শন না করা আরও ভাল
আমার কামোক্রোধাদি গেল না, গেল না_ 'লে চীৎকার পাড়লে কখনই তারা যায় না এমন চিন্তা, অভ্যাস 'রে নিতে হয় যাতে কামক্রোধাদির গন্ধও নেই_মন যাতে -সব ভুলে যায়
মনে কাভক্রোধাদির ভাব এলে, কী 'রে তারা প্রকাশ পাবে? উপায়_উচ্চতর উদার ভাফে নিমজ্জিত থাকা
সৃষ্টিতত্ত্ব,গণিতবিদ্র্যা,রসায়নশাস্ত্র ইত্যাদির আলোচনায় কাম-রাপুর দমন হয়



অর্থ মান যশ ইত্যাদি পাওয়ার আশায় আামাকে ঠাকুর সাজিয়ে ভক্ত হয়ো না সাবধান হও ঠকবে তোমার ঠাকুরত্ব না জাগলে কেউ তোমার ঠাকুর নয় কেন্দ্র নয় ফাকি দিলেই পেতে হবে তা "শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র "






সর্ব্বপ্রথম আমাদের দুর্ব্বলতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে|সাহসী হতে হবে,বীর হতে হবে|পাপের জ্বলন্ত প্রতিমূত্তি দুর্ব্বলতা|তাড়াও,যত শীঘ্র পার, রক্তশোষনকারী অবসাদ উতপাদক ভ্যাম্পায়ার কে|স্মরন কর তুমি সাহসী,স্মরন কর তুমি শক্তির তনয় স্মরন কর তুমি পরমপিতার সন্তান|আগে সাহসী হও,অকপট হও,তবে জানা যাবে,তোমার ধর্ম্মরাজ্যে ঢোকবার অধিকার জন্মেছে এতটুকু দুব্বলতা থাকলেও তুমি ঠিকঠিক অকপট হতে পারবে না,আর যতদিন তোমার মনমুখ এক না হচ্ছে ততদিন তোমার মলিনতার গায়ে হাতই পডবে না|..... .. .
 
অনুতাপ কর; কিন্তু স্মরন রেখো যেন পুনরায় অনুতপ্ত হতে না হয়|যখনই তোমার কুকর্ম্মের জন্য তুমি অনুতপ্ত হবে,তখনই পরমপিতা তোমাকে ক্ষমা করবেন,আর ক্ষমা হলেই বুঝতে পারবে,তোমার হৃদয়ে পবিত্র সান্ত্বনা আসছে,আর তা'হলেই তুমি বিনীত,শান্ত আনন্দিত হবে|যে অনুতপ্ত হয়েও পুনরায় সেই প্রকার দুষ্কর্ম্মে রত হয়,বুঝতে হবে সে সত্বরই অত্যন্ত দুর্গতিতে পতিত হবে!শুধু মুখে-মুখে অনুতাপ অনুতাপই নয়, আরও অন্তরে অনুতাপ আসার অন্তরায়|প্রকৃত অনুতাপ এলে তার সমস্ত লক্ষনই অল্পবিস্তর প্রকাশ পায়|-শ্রী  শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র


সত্যাদশীর আশ্রয় নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা কর,এবং স্বাধীন মত প্রকাশ কর|বই 'ড়ে বই হয়ে যেও না,তার..সার-কে মজ্জাগত করতে চেষ্টা কর|pull the husk to draw the seed.(তুষটা ফেলে শস্যটা নিতে হয়)|উপর-উপর দেখেই কিছু ছেড়ো না বা কোন মত প্রকাশ কর না|কোনও কিছুর শেষ না দেখলে তার সম্বন্ধে জ্ঞানই হয় না,আর না জানলে তুমি তার বিষয় কী মত প্রকাশ 'রবে?যা' কিছু কর না,তার ভিতর সত্য দেখতে চেষ্টা কর|সত্য দেখা মানেই তাকে আগাগোড়া জানা,আর তা' জ্ঞান|যা তুমি জান না,এমন বিষয়ে লোককে উপদেশ দিতে যেও না|--শ্রী  শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন